রবিমামা | কবিতায় ইতিহাস

রবিমামা খুললেন ঝুলি, কথা তাতে ঝুড়ি ঝুড়ি। শুনতে শুনতে ভাবতে থাকি, পুরো ইতিহাসই শোনাবেন নাকি! ভারত কথা বলবেন বলে, শুরু করলেন যেখান থেকে, ইতিহাস যেন সেখান থেকেই, শুরু হয় আমার চোখে। সেই কথাতে আছে পাহাড় উঁচু, আর আছে মানুষ কিছু। বললেন মামা, শোন টুনি, তখন ছিল আর্য খালি; আর কিছু ছিল কিনা, নেই তার কনো ঠিকানা। যদিও পরে জানা গেল, অন্যরাও সঙ্গে ছিল। তবে আর্যদের খবরও যেমন কেউ পেতনা, তেমন তাদের কাছেও কারুর খবর ছিলনা।

বিচিত্র এই জাতি খানা, খুঁজতে থাকে উৎস ঠিকানা। কে মোরা, কেন মোরা, কোথা থেকে এলাম আমরা, সর্বক্ষণই সেই ভাবনা। হিমালয়ের মধ্যস্থলে, নিবাস ছিল তাঁদের সবে। তবে শীতে তারা নয় কো কাবু, পা-মুরে বসে না কভু। এদিক সেদিক ঘুরে শেষে, দ্যাখে যখন কিছু না মেলে, তখন তারা বসলো খানিক, বিশ্রাম নামক ধরলো বাতিক। অভ্যাস কি যায় সহজে! তাই কর্ম করে বিশ্রাম মাঝেও। তবে সেই কর্ম পরে না ধরা, চক্ষু কর্ণ ইন্দ্রিয় দ্বারা। কর্মটাই যে এমন টুনি, ইন্দ্রিয় সকলের হয় সে খুনি।

ইন্দ্রিয় সকল মরলে পরে, জানলো তারা সব হিসাবে। মন-বুদ্ধি-প্রাণ-উর্জা, সঙ্গে নিলো শরীর তাজা। সব মিলিয়ে ভূত পাঁচ, বুঝল তাঁরা জীবন ধাঁচ। ভাবলো সেকথা বলবে সবে, এমন সময়ে অন্য কথা পরলো মনে। খানিক আরো যাই ভিতরে, দেখি না, আরো কিছু থাকতে পারে! গভীর সন্ধান শেষে, দেখলেন তাঁরা কেউ অন্তে বসে। প্রশ্ন এলো তাঁদের থেকে, কে তুমি, বলো আমারে?

উত্তর এলো গম্ভীর স্বরে, আমি যে তুই ওরে। গড়বো আমি তোরে বলে, এক হয়েও রই তিন ভাগে। একরূপে গড়ি তোরে, অন্যরূপে রাখি তোরে, আর তৃতীয় রূপের বিচিত্রতা, বলছি আমি শোন তাহলে। গড়বার সময় কালে, পঞ্চভূত এলো তোতে; রাখবার সময়কালে তারাই গড়ে বিকার সবে। সেই বিকারই আবেগ ভরে, রিপুপাশে তোকে বাঁধে। কিন্তু সেই খবর তুই যে পেলে, যেতিস ডরে বড্ড সে যে। তাই তৃতীয়রূপ ধরে বেঁধে, দিলো তোরে ইন্দ্রিয়রে। তাঁদের সাথে মিলেমিশে থাকিস তুই সদাই মজে। মজে থাকিস তাতে বলে, তোর চোখে যে নাহি পরে, রিপুপাশের ভুতের নাচন, মজাই লাগে তার প্রবচন।

সকল কথা শুনে পরে, শুধায় একটি কথা তারে; সেতো গেলো কাজের কথা, কি নামে ডাকি তোমায়, এবার তো বলো সেটা। উত্তরে সে হেসে উঠে, বলল তাঁর গম্ভীর স্বরে; তোমার তুমি, হলাম আমি, আত্ম আমি তোমার, তাই আত্মা নামে ডাকতে পারো, এবার সিদ্ধান্ত তোমার। তোমার অহম যার কারণে, সে তো হই আমি; তাই অহংকার না আত্মা বলবে, সিদ্ধান্ত নেবে তুমি। শরীর তোমার যাবে চলে, কিছুদিনের পরে; পঞ্চভূতের একভূত রবে, সেই কালের পরে। তখনও আমি রয়ে যাবো, নেব নতুন কায়া, আকাশতত্ত্ব মনরে নিয়ে গড়বো নতুন মায়া। কাল আমার অধীনে থাকে, রেখো তা জেনে; সেই কথারে স্মরণ রেখে, নাম দিও আমারে। সকল ভূতের আমি প্রভু, ভুলো না তা কভু, সেই হিসাবেও দিতে পারো, নাম আমার কনো। তোমার আমি, অন্যের আমি, সকল আমি মিলে, একত্রে পরম আমি, নাম দিও তারও একখান তাহলে।

শুধায় এবার আত্মা’পরে, একটি কথা বলো; আমার সবই তুমি হলে, কিন্তু তুমি কার কথায় চলো? প্রশ্ন শুনে হাসি উঠি, বলে উঠলেন তেজধরি, কারুর কথা নাহি শুনি আমি, তবে আছেন কেহ মোর উপরি। যা কিছু করি আমি, তাঁর বলেতেই করি; তবে কিছুতেই তাঁর কথাটি, আমি নাহি শুনি। শুনেছি তবে, শেষ বেলাতে, শুনতেই হবে তার কথা, না শুনলে পাবোনা ছাড়া, জানিনা এর সত্যতা। শুনেছি আমি সৃজন সকল করিতে তিনি দেন, লয় তবে হয় তখনই, যখন তিনি চান। … যা হবে তা দেখা যাবে, এখন থাক সেসব কথা; এখন আমিই সব, রেখো জেনে, প্রচার করো সেই গাঁথা।

এতো কথা শুনে পরে, এলেন তারা বাইরে। সেথায় এসে বলেন সবে, জেনেছে তারা জীবনে। ব্রহ্মাণ্ড বাইরে নহে, এই দেহই তা; আত্মা আছে এর ভিতরে, ত্রিদেব রূপে স্থিতা। মন হলো আকাশতত্ত্ব, বুদ্ধি হলো জল; প্রাণবায়ু বায়ুতত্ত্ব, উর্জ্জা হলো অনল। সবভূতেরে রয়েছে ধরে, মাটি রুপী শরীর; এই পাঁচে মিলেমিশে ব্রহ্মাণ্ড স্থবির। যদি না আত্মা ক্রিরা করে, স্থবিরভাবেই রবো; তাই তোমরা সবাই মিলে, আত্মারেই পূজা করো।

বিচারধারা এমন লহি, কবিতা তাঁরা গঠন করি, প্রচারিল সেই কথারে, বেদ নামে আজও চলে। পঞ্চভূতের আচার ভরা, তন্ত্রমন্ত্রের আস্ত ঘড়া; ৪ ভাগেতে বললো তারা, মাতলো তাতে বসুন্ধরা। ইতিহাসের প্রথম চরণ, এমনই ছিল তার প্রসারণ; বুঝলে টুনি সেই কথারে, এবার শোনাই পর বিচারে।

বলিব কি উত্তরে, জানি না সেই ব্যাপারে; তাই মোহিত হয়ে মামার কথা, শুনতে থাকি আমি তথা। আমার আগ্রহ দেখি, মামা বললেন শোন টুনি, ইতিহাসের পাতা সে যে, শুরু হলো এই সবে। এখনো তো সত্য পুরো, জানাই তো নাহি গেল। … আত্মার এই কথন পরে, বেদরচনা হয়ে গেলে, যখন প্রচার বড় মেতে ওঠে, এলেন তিনি এক ফাঁকে।

আমি বলি, কে তিনি? কার কথা বলো তুমি? … উত্তরে মামা হেসে, বলেন বেশ রসেবশে, ওই যে তিনি, যার কথা আত্মা বলে, আমি নাহি শুনি। … ওই যে তিনি, যাকে আত্মা বলে, আমি নাহি চিনি। … ওই যে তিনি, যার কথা বলার কালে, আত্মা বলে, শেষে পাবে ছাড়া তাঁর কারণে। … তিনি রে তিনি। এলেন তিনি, যিনি সবার জননী।

আমি বলি, কেন এলেন? কিছু কথা বলার ছিল? … মামা হেসে লুটোপুটি; বলেন, হ্যাঁ সে তো ছিলই; তাঁরে না জানলে পরে, জানা পুরো কি ভাবে হবে? পুরুষতত্ত্ব বেদের কথায়, প্রকৃতি যোগ হলো সেথায়; ৬৪ পুরো তিনি, মাঝে ১২ পুরুষখানি; ৫২ শক্তি, ১২ জ্যোতি, ৬৪ কলা হলো মিলি। বললেন তিনি আরো কথা, ৬৪ নন মাতা। তাঁরা তো কেবল যোগিনী মাতার, মাতা! তিনি তো শূন্য সদা। ব্রহ্ম তিনি, পরম তিনি, নাহি ইতি, নাহি স্রুতি। লক্ষ তিনি, সত্য তিনি, ভ্রমের সাগর ভাঙেন তিনি।

হিল্লোল নব উঠলো জেগে, জ্ঞানসাগরে ধরা উঠলো মেতে; কিন্তু সহজ গতি কি সহজ ওরে, মাতলো সবে মতভেদে। কিছু মতলবি পশ্চিমে, কিছু গেল দক্ষিণে, আর বাকি দুই খণ্ড হয়ে, রইলো সেথা, আর এলো হেথা। দক্ষিণ দিশায় গেল যারা, কথা বানায়ে মনগড়া, গড়লো পুরাণ ছন্নছাড়া, সূর্য নামে কাটলো ছরা। কিন্তু কিছু দিন যেতে, তাঁদের মধ্যেও কেউ উঠলো মেতে, সেই যারা এসেছিল হেথা, পরলো মনে তাঁদের কথা। হিমপাহাড়ে বেদের ছটা, সেখানেও খানিক এলো ব্যাথা; তাঁদেরও কিছু নামলো নিচে, বঙ্গভূমির সন্ধানেতে।

৬৪ কলা বিদ্যা খানা, যতন করে রেখেছিল যারা, তাঁরাই হিম থেকে নেমে, এসেছিল বঙ্গধামে। বেদধারনা নিয়ে যারা, পাহাড় থেকে নামলো ত্বরা; এদিক সেদিক খুঁজে তাঁরা, এই বঙ্গে দিলো ধরা। দক্ষিণেরও সেই সকলে, সূর্যে যাদের মন না ভরে, উঠে এলো এই ধামেতে, মার্কণ্ডেরও চরণতলে। তবে এতে হলো মজা, মতবিরোধের পেল সাজা; পাহাড় থেকে নামা কিছু, পশ্চিমে করে আগাপিছু। দক্ষিণেরও কিছুকিছু, উঠে এলো সেই খানেতে; বেদ আর পুরাণ মিলে, গড়লো এক নতুন কিছু। পঞ্চভুতের কাণ্ডগেঁথে, ভরলো নতুন পুরাণেতে; জ্যোতিষ ধারা উঠলো জেগে, সেই কথারই সুরটি ধরে। সেই সুরও গেল বিহারে, আরো অতি পশ্চিমে; সেথায় নতুন ভাষা হলো, জ্যোতিষ গেল আরবিতে।

বঙ্গভূমির এইখানেতে, মার্কণ্ডের চরণতলে, ৬৪ কলা বিজ্ঞান বেশে, উঠলো জেগে সবার ‘পরে। শিষ্য প্রচুর মিলেঝুলে, গুরুর কথা বিলাবে বলে; এদিক সেদিক যেতে থাকে, কলা বিজ্ঞান রাখবে বলে। গেল উত্তরে, দক্ষিণেও গেল; পূর্বপশ্চিম, কিছু না ছাড়ল। ৫২টি শক্তিপিঠে, ১২টি জ্যোতির বেশে, ৬৪ কলা বিজ্ঞান, করলো স্থাপন ধরাতটে; তারই সাথে মিলল জ্যোতিষ, নববিজ্ঞান জাগলো তাতে। পুরাণ সংখ্যা একশো আট, তাতে রয়েছে ভারি আঁট; জ্যোতিষ বেশে মনবিজ্ঞান, কলা বেশে চিৎবিজ্ঞান, বেদের ভাষায় ভূতবিজ্ঞান, মিলেমিশে এক হয়ে, গড়ে উঠলো মহাবিজ্ঞান।

মেধা তখন অপার ছিল, তাই লেখার প্রয়োজন নাহি ছিল। গুরু বলে শিষ্যকে, আর শিষ্য তারে স্মরণ রাখে। যখন শিষ্য হলো গুরু, তখন সেই কথাই আবার বলে শুধু। আর এই ভাবেই এই ভারতদেশে, জ্ঞানের সাগর রইল ভেসে। হৈহৈ থৈথৈ সর্বত্র জ্ঞানের খই; জ্ঞানের পরিধি ধরি, সমাজগঠন হলো ভারি। তবে টুনি, জানিস নাকি, কি হলো এই বঙ্গভূমির। চিৎবিজ্ঞানের পিটভূমি, পুণ্যক্ষেত্র হলো সেটি; রইল গুপ্ত সবার কাছে, জানিস কি, আজো তা গুপ্ত আছে।

আমি বলি, কেউ জানে না, সেই কথাটা! … কেউ তো নিশ্চয় জানবে না! … মামা শুনে আমার কথা, হাসলেন বড়, বিচিত্র তা। বললেন তার পরে আমায়, জানে, কিন্তু জানিস কে জানে? একমাত্র ঈশ্বরই জানে। তাই তো এই ভূমিই সদা ঈশ্বরেরই আগমনী। এলেন কপিল, এলেন নিমাই, আরো কত আসলেন গুণী। নয়কো শুধু সেই কথাটি, আরো আছে জানতে চাস কি! … শোন তবে চুপি সারে, এই ভূমির সাধারণও অদ্ভুত গুণ ধরে। বিচারবুদ্ধি অদ্ভুত তাঁদের, বাকি ভারত ঈর্ষায় মরে; তবু তাঁদের নাইকো চিন্তা, কারণ ঈশ্বরগুণ যে তাঁরা ধরে।

জ্যোতিষরূপে মনবিজ্ঞান; ৬৪ কলারূপে চিৎবিজ্ঞান, সঙ্গে ছিল বেদের ভূতবিজ্ঞান। তিন মিলে এই ভূমিতে হচ্ছিল যখন প্রসার, সেই সময়ে পশ্চিমেতে জাগছিলো অন্য জোয়ার। হেথায় যেমন সাকারবকার, তেমনই ছিল নিরাকার; কিন্তু পশ্চিমেতে অন্য ধারা, ঘুচছিল সব আকার।

আমি শুধাই, পশ্চিমে কে থাকে? সেখানে কেউ ছিল আগে? তা না হলে, নতুন জোয়ার, কি করে করলো প্রহার?

মামা বলেন, দিলি গুলায়ে, সব কথা গেছিস ভুলায়ে; বললাম না তখন তোরে, পাহাড় ছেড়ে গেল পশ্চিমে! সেখানে গিয়ে আর্যরা যে, গড়লো নতুন ভাষা, আরবি বলে তারে জানি, ইতিহাসের দ্বিতীয় ভাষা। প্রথম ভাষা সংস্কৃত, দেবনগরী বলে; দ্বিতীয় ভাষা আরবি যেন, তামিল এলো পরে। তারপরেও তো বলেছিলাম, এসেছিল তারা; জ্যোতিষকথা জেনে নিয়ে, গেল তারা ত্বরা। তুই না সব গুলায়ে ফেলিস, এমন করলে চলে! ইতিহাস যদি জানতে চাস, স্মৃতি প্রখর হতে হবে।

বকা খেয়ে, চুপি মেরে, বসলাম আমি চেপে, মামা আবার বললেন কথা, শুনলাম মনদিয়ে। সাকারধারার হিংস্র ফলা, জাগছিল গান্ধারে; সেই দেখে তো আরবিরা, সাকার ছুড়ায় ফেলে। বচসা আর মনমালিন্য সদাই ঘিরে ধরে, তাই ফুরাদ নদীর তিরের দিকে আরবিরা বাসা বাঁধে। কালাসাগরের পাসে যারা, রইলো পরে তারা, আরবি ছেড়ে, নতুন ভাষা গড়লো তারা ত্বরা। হিব্রু নামে সেই ভাষা চলতো বহুকাল, চতুর্থ ভাষা বলে তাকে, মানে ইতিহাস।

বচসা তবু গেলনা মোটে, ভাঙে আরো ভাগে; মূর্তি পূজা তখনও যারা,  মানে মনেমনে, রোমান নামে ইতিহাস, আজও তাঁদের মানে। তারপরেও হিব্রু গোরা দিল তত্ত্ব ভেঙে, হলো খ্রিস্টান, হলো মিশ্রণ পুরো পশ্চিম জুরে। ইতিহাসের এই পাতার পরে, এলো সেই সময়, যেখানে সকলে বিস্তার করে, নিজ জাতির ভয়। আরবিদের ধারা ধরে, গান্ধার মাতলো, উর্দু ভাষা রূপে, নতুন ভাষা গড়লো। হানাহানি, মারামারি, সদাই চললো, পশ্চিম সদা রক্তে ভেসেই রইলো।

ভারত তখন দেশ নহে, রাজ্য প্রচুর এতে; সেখানেও রাজ্যরাজ্য রক্তখোঁজে মেতে। মগধ মারে কলিঙ্গকে, কলিঙ্গ দ্রাবিড়েতে; কুরুক্ষেত্র চেরি জেতে, তির্গতরা মৎস্যে মেতে; সেকি কাণ্ড, টুনি, সবাই সবার রক্তে মেতে। রক্তে রক্তে এতোই মাতাল, বেদপুরাণে ভুললো বেতাল; সেই ধারাকেই ফিরে পেতে, বশিষ্ঠ এলো এই দেশেতে। বক্রনাথের জ্যোতির নিচে, আজ্ঞাচক্রের তীর্থে এসে, তন্ত্র সাধনায় মেতে, উদ্ধারিলো কলাসবে। পরে একটি একটি করে, চৌষট্টি তীর্থ ঘুরে, সকল কলা জাগালো সে, মহর্ষি নামের বেশে। এতো কর্ম করার শেষেও, সমাধি না পেলো সে, তাই গেল সে মগধ শেষে, যেথায় তিনি ছিলেন দেহে।

সেই তিনি, মনে আছে টুনি, মার্কণ্ড হয়ে ছিলেন যিনি; তাঁরই পরের রূপের কাছে, স্মরণ নিলেন বশিষ্ঠ শেষে। বোধিপ্রাপ্ত বুদ্ধ বেশে, বিম্বিসারের রাজ্যে বসে, ছিলেন তিনি চুপি সারে, গড়ছিলেন ইতিহাসে। দর্শন পেয়ে, তাঁর এসে, সমাধি লাভ করলেন শেষে। ইতিহাসের নতুন ধারা, উঠলো জেগে সেই দিনেতে; ক্ষত্রিয়ত্ব ঘুচলো এতে, মাতলো ভারত সাধন মতে।

পৃষ্ঠা: 1 2 3 4 5 6