ধর্মপ্রজ্ঞা – সত্য মার্গ

ধর্ম শব্দের অর্থ হলো ধারণ করা। তবে এর অর্থ অনেক সময়েই ভ্রান্তির ধারণ করা হয় যে, একটি ব্যক্তি যা কিছু ধারণ করতে পারে, তাই হলো তাঁর ধর্ম। না, ধারণ যা করা হয়, তা ধর্ম নয়, বরং ধারণ যা করতে হয়, তা হলো ধর্ম। আর ধারণ কি করতে হয়? ধারণ করতে হয়, সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যকে। যেই উদ্দেশ্যে সৃষ্টিকর্তা এই মহাবিশ্বকে স্থাপিত করেছেন বা স্থাপিত থাকতে দিয়েছেন, তা ধারণা করাই হলো ধর্ম।

তাই যখন আমরা সৃষ্টিকর্তার সেই উদ্দেশ্যকে ধারণ করে নিয়ে, আমাদের নিজদের জীবনে তা স্থাপিত করি তাই হলো ধর্মাচরণ, আর যখন আমরা আমাদের জীবনে তাই ধারণ করে থাকি, যা সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যের থেকে ভিন্ন, তখনই আমরা অধর্মের পথের পথিক হয়ে অধর্মী হয়ে উঠি।

তাই ধর্মজ্ঞান আহরণের ক্ষেত্রে যা আমাদের স্পষ্ট ভাবে প্রথমেই জানা উচিত এবং কর্তব্য, তা হলো সৃষ্টিকর্তার এই সৃষ্টিকে অবস্থান করানোর অন্তরালে থাকা প্রকৃত উদ্দেশ্য, কারণ যখন আমরা তা জানতে সক্ষম হবো, তখনই আমরা সত্য অর্থে ধর্মকে উদ্ধার করতে পারবো, যা ধারণ করা আবশ্যক, তাকেই ধারণ করবো, এবং প্রকৃত অর্থে ধার্মিক হয়ে উঠবো।

সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যকে অনুধাবন করতে হলে, আমাদেরকে যা জানতে হবে, তা হলো এই মহাবিশ্বের অস্তিত্ব এলো কেমন ভাবে, আর যখন তা এলো, তা রইলো কেন। সেই সত্যকে কৃতান্ত ও আদি কৃতান্ত সম্পূর্ণ ভাবে ব্যক্ষ্যা করে রেখেছে। তাও যেহেতু এটি একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ, তাই কৃতান্তের ও আদি কৃতান্তের সাররূপে, আপনাদেরকে সেই সত্যের সারসংক্ষেপ প্রদান করা হবে এখানে।

নিম্নে যা বলা হবে, তাকে আকৃতি প্রদান করেই বলা হবে, যাতে সকল ভাব অনুভূত হয় সকলের কাছে। কিন্তু বাস্তবে, এই সমস্ত কিচ্ছু সূক্ষ্মও নয়, অতিসূক্ষ্ম। তাই এই কথা হলো অতিসূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্ম অতিক্রম করে স্থূল এই ব্রহ্মাণ্ডের অস্তিত্বের। তাই এই ধারণাকে স্মরণে রেখে পাঠ করবেন সমস্ত কিছু।

সত্য এই যে, সত্য অর্থে কনো কিচ্ছুর কনো অস্তিত্ব নেই। আর এই কিছুর অস্তিত্ব না থাকা, অর্থাৎ শূন্যের অবস্থানই হলো সত্য, আর এই সত্যকেই ব্রহ্ম নামে আখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে। একাকীত্বই সেই সত্যের অর্থাৎ ব্রহ্মের একমাত্র সম্বল। তবে সেই একাকীত্ব এক সময়ে অসহনীয় হয়ে ওঠে তাঁর কাছে। আর সেই একাকীত্ব ভাবের দূরীকরণ করতে, স্বয়ং ব্রহ্ম নিজের ঈশ্বরত্বভাবকে দূরে সরিয়ে রেখে, মাতৃত্ব ও মমতা ধারণ করে, শূন্য থেকে শূন্যকায়, অর্থাৎ নিরাকার পরাশক্তি বা ব্রহ্মময়ী হয়ে ওঠেন।

ব্রহ্মময়ী হন তিনি মাতৃত্ব ধারণের হৃদভাব নিয়েই, তাই তিনি প্রকৃষ্ট হতেই, গর্ভধারণ করেন, এবং একটি ভ্রূণের জন্ম দেন, যার উদ্দেশ্যে তিনি মাতৃত্ব বর্ষণ করতে ব্যকুল থাকেন। কিন্তু, এই সমস্ত কিছুর অন্তরালে, আরো একটি কীর্তি হতে থাকে, আর তা হলো আত্মভাবের জন্ম।

যেই মুহূর্তে, ব্রহ্ম হয়ে উঠলেন ব্রহ্মময়ী, সেই মুহূর্তেই শূন্যরূপ অস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে প্রকাশিত হবার কারণে, একটি আত্মভাবের রচনা হয়। আর এই আত্মভাব ব্রহ্মময়ীকে নিজের শত্রুরূপে চিহ্নিত করে নেন। আত্মভাব সে, আর তাই তাঁর ভাবই হলো প্রভুত্ব বিস্তার। আর সেই প্রভুত্ববিস্তারে একমাত্র বাঁধা হলেন ব্রহ্মময়ী, কারণ ব্রহ্মময়ী যে সাখ্যাত ব্রহ্ম, সাখ্যাত শক্তি তিনি। তাঁর সামর্থ্যের সম্মুখে নিজের সামর্থ্যকে দেখে, আত্ম অতিসহজে বুঝে গেলেন যে, তার নিজের সামর্থ্য কেবল তুচ্ছই নয়, অতিতুচ্ছ।

এরই মধ্যে আত্মের নজরে আসে, পরাশক্তির জন্ম দেওয়া ভ্রূণ। নিরাকারা সমসত্ত্ব ব্রহ্মময়ী। তাই তাঁর জন্ম দেওয়া সন্তানও ঠিক অনুরূপ হবে তাঁর মত। অর্থাৎ এক ব্রহ্মময়ীর সামর্থ্যের কাছেই সে নিজেকে তুচ্ছ রূপে প্রতিপন্ন করতে বাধ্য হচ্ছে। এবার যদি একাধিক এমন সামর্থ্য তাঁর সম্মুখে থাকে, তাহলে তো তার আমিত্বের কনো স্থাপত্যই থাকবে না! …

এমন বিচার করে, সরাসরি আত্ম আঘাত করলো ব্রহ্মময়ীর ভ্রূণপিণ্ডকে। ব্রহ্মময়ী স্বভাবে শান্ত, মমতা তাঁর মূল উপাদান, আর সেই মমতার নিরিখে দেখলে, আত্মও তাঁরই সন্তান। তাই সন্তানের এমন অভব্য আচরণকে তিনি ক্ষমা করলেন, আর নিজের ভ্রূণকে তিনি রক্ষা করতে উদ্যত হলেন। রক্ষা করার উদ্দেশ্যে, প্রথমেই যা করলেন তিনি, তা হলো আকাশ তত্ত্বের উদ্ভব করলেন নিজের দৃষ্টি থেকে, যাতে করে আত্মের সাথে তাঁর দূরত্ব বিস্তার লাভ করে।

কিন্তু যেই মুহূর্তে দেবী এমন করলেন, সেই মুহূর্তে তাঁর অন্তর থেকে, তাঁরই তিন ছায়ার উৎপন্ন হয়। সন্তানের ভ্রূণ ধারণ করার কালেই, তাঁর মধ্যে কল্পনার উদ্বেগ হয়েছিল, যাকে তিনি ভ্রূণ প্রসব করার মুহূর্তেই ত্যাগ দেন, কারণ তা হলো এক ছায়া, অর্থাৎ তা ভ্রমের সঞ্চার করবে তাঁর সন্তানের মধ্যে। যেই মুহূর্তে আত্মের থেকে নিজের জন্ম দেওয়া ভ্রূণকে সুরক্ষিত করতে হবে, এমন ভাব জন্ম নেয় দেবীর মধ্যে, সেই মুহূর্তে তাঁর থেকে সন্তানের সুরক্ষার প্রয়োজন এই চিন্তার জন্ম হয়, এবং সন্তানের রক্ষা করার ইচ্ছা জন্ম নেয়।

আর এই ভাবে কল্পনা, চিন্তা ও ইচ্ছা, এই তিন ছায়ার জন্ম হয় দেবীর মধ্যে, যাদের মধ্যে দেবী কল্পনাকে ইতিমধ্যেই ত্যাগ দিয়েছিলেন, কিন্তু ইচ্ছা ও চিন্তাকে তখনও ত্যাগ দেননি, কারণ তখনও তাঁর সন্তানের সুরক্ষা পূর্ণ ভাবে সম্ভব হয়নি।

আত্ম অন্যদিকে, আকাশতত্ত্বের কারণে বহু দূরে অবস্থিত হয়ে গেলে, দ্রুততার সাথে দেবীর ভ্রূণের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলে, দেবী এবার নিজের দূরদৃষ্টির সহায়তায়, অর্থাৎ তৃতীয়নেত্রের সহায়তায় রচনা করলেন এক বিশাল প্রাচীরের, যার মূল উপাদানই হয় মৃত্তিকা।

আত্ম কিছুতেই সেই প্রাচীরকে অতিক্রম না করতে পারলে, দেবী এবার নিশ্চিন্ত হন, এবং তাই চিন্তা ও ইচ্ছাকেও ব্রহ্মমলস্বরূপ ত্যাগ দিলেন। আত্ম বারংবার প্রয়াস করতে থাকলেন, সেই প্রাচীরকে অতিক্রম করার, কিন্তু তিনি ব্যর্থ হলেন। তাই অন্য উপায় খুঁজতে থাকলেন, আর ঠিক সেই মুহূর্তেই তাঁর নজরে আসে, তিন ব্রহ্মমল, অর্থাৎ কল্পনা, চিন্তা ও ইচ্ছা।

ব্রহ্মমল তাঁরা, তাই তাঁরা পরিত্যক্ত। সেই বিচার করে, আত্ম, এই তিন ছায়াকে আবাহন করে, তাঁদেরকে আশ্বাসন দিলেন যে, যদি তাঁর সাথে এই তিন মল যুক্ত হয়ে থাকে, তবে তাঁরা যেই সম্মান হারিয়েছেন, ব্রহ্মের মল হবার কারণে, সেই সম্মান তাঁরা ফিরে পাবেন। এমন আবাহন শুনে, ত্রিব্রহ্মমল এবার আত্মের সাথে যুক্ত হতে, আত্ম অনুভব করলেন যে, পরাশক্তির মলেও অতিমহা সামর্থ্য।

সেই নূতন সামর্থ্য নিয়ে এবার সে দেবীর নির্মিত মহাপ্রাচীরে আঘাত করলে, সেই প্রাচীর চূড়চূড় হয়ে ভেঙে গিয়ে, চারীদিকে তা ছড়িয়ে যায়। আত্মের এহেন কীর্তিতে, এবার দেবী প্রকাণ্ড রুদ্র হয়ে উঠলেন, আর তার ফলে তাঁর সর্বাঙ্গ থেকে এক রুদ্রতেজের বিস্তার হয়, যা আকাশতত্ত্বের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মৃত্তিকাতত্ত্বকে অর্থাৎ সেই প্রাচীরের মূলতত্ত্বকে স্পর্শ করলে, অগ্নিতত্ত্বের সঞ্চার হয়। দেবীর উগ্রতা তখনও ক্ষান্ত হয়নি। তাই তিনি এক প্রকাণ্ড প্রশ্বাস ত্যাগ করলেন আত্মের উদ্দেশ্যে। আর সেই প্রশ্বাস বায়ুতত্ত্ব হয়ে ওঠে, যখন তা আকাশতত্ত্বের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মৃত্তিকা ও অগ্নিতত্ত্বের সমাবেশকে বেষ্টন করে, সেই অগ্নিদগ্ধ মৃত্তিকাখণ্ড সমূহকে আত্মের দিকে নিক্ষেপ করা শুরু করে।

আত্ম সেই আক্রমণে ভয়ার্ত হয়ে পলায়ন করা শুরু করলে, ত্রিব্রহ্মমল তাঁর উদ্দেশ্যে বললেন, “পলায়ন করছো কেন কায়েরের মত? খেয়াল করে দেখো, দেবীর নিক্ষেপ করা প্রতিটি মৃত্তিকাখণ্ডের একদিকে বায়ু অবস্থান করছে, তো অন্যদিকে অগ্নি সঞ্চারিত রয়েছে। তাই, তুমি একাধিক এমন মৃত্তিকাখণ্ডকে ধারণ করে, তাদের এমন ভাবে সম্মিলিত করো, যাতে করে সমস্ত অগ্নি সেই মৃত্তিকা খণ্ডের অন্তরেই সমাহিত হয়ে যায়, আর বাইরে তার অগ্নির প্রকাশই না থাকে। তাহলেই তো তুমি সুরক্ষিত হয়ে যেতে পারবে!”

আত্ম সেই কথন শুনে, একত্রিত করা শুরু করে সেই সমস্ত অগ্নিপ্রজ্বলিত, বায়ুসম্মিলিত মৃত্তিকাখণ্ড। আর তেমন করতে থাকলে, অজস্র পিণ্ড সৃষ্ট হতে থাকে, যাদেরকে পরবর্তীতে গ্রহ বলা হয়ে থাকে। কিন্তু এমন করতে থাকলে, বহু বৎসর চলে যায় আর আত্ম সেই সমস্ত মৃত্তিকাপিণ্ড নির্মাণ করতেই থাকে। সেই দেখে দেবী চিন্তা বললেন, “আহা, আত্ম, তুমি নিজেকে এখনও দুর্বল ভাবছো। আমাদের ত্রিব্রহ্মমলকে ধারণ করে, তুমি আর দুর্বল নেই। আমাদের তিন ধারার মলের কারণে, তুমি ত্রিমূর্তি হয়ে উঠেছ। আর যেহেতু আমরা পরাশক্তির মল, তাই তুমিও পরা আত্ম, বা পরমাত্ম হয়ে উঠেছ। খেয়াল করে দেখো, তুমি একদিকে মৃত্তিকার পিণ্ড নির্মাণ করতে থাকছো, আর অন্যদিকে দেবীর ভ্রূণ পরিপক্ক হতে থাকছে। বিচার করে দেখো, একবার যদি সেই ভ্রূণ সাকার হয়ে যায়, তাহলে কি হবে! এক দেবীতেই তোমার রক্ষা নেই, তখন তো একাধিক দেবী হয়ে যাবে! কি করবে তখন? একটি মৃত্তিকা পিণ্ড নির্মাণ করে, তাকে নিক্ষেপ করো দেবীর ভ্রূণের উদ্দেশ্যে, আর সেই ভ্রূণকে বিনষ্ট করে দাও চিরতরে”।

পরমাত্মে পরিণত আত্ম সেই কথাতে সক্রিয় হয়ে উঠে, একটি এমনই নির্মিত মৃত্তিকাপিণ্ডকে ক্ষেপণ করলেন দেবীর ভ্রূণের উদ্দেশ্য, আর তা নিক্ষেপ করা মাত্রই, দেবীর ভ্রূণ কয়েক শত কোটি ভ্রূণখণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। তবে, যেই অগ্নিসম্মিলিত বায়ুধারক মৃত্তিকাখণ্ড এই আঘাত করে, তার মধ্যেও যে দেবীরই মাতৃত্ব বর্তমান! তাই আঘাত করে ভ্রূণের সহস্র খণ্ড করে দিলেও, সেই ভ্রূণদের প্রতি জাগ্রত মমতার কারণে, সেই মৃত্তিকাখণ্ড সমস্ত ভ্রূণখণ্ডকে নিজের বক্ষে ধারণ করে রেখে দিলেন।

আর তেমন করতে, সেই মৃত্তিকাখণ্ড হয়ে উঠলো প্রাণবন্ত। দেবী মানেই যে চেতনা, দেবী মানেই যে প্রাণ। আর তাই দেবীর ভ্রূণের সংস্পর্শে, সেই মৃত্তিকা খণ্ডও হয়ে উঠলো প্রাণবন্ত। আর সেই একমাত্র প্রাণবন্ত মৃত্তিকাখণ্ডের নাম হলো ধরিত্রী।

আত্ম সেই সমস্ত ঘটনা দেখে বিস্মিত হলে, দেবী ইচ্ছা তাঁর উদ্দেশ্যে বললেন, “হে পরমাত্ম, আপনি বিচলিত হবেন না। দেবী চেতনা হলে, আপনিও হলেন আত্ম। তাই আপনিও এবার আমাদের ত্রিমলকে ধারণ করে যুক্ত হন সেই ধরিত্রীর সাথে। যুক্ত হন এবার দেবীর সমস্ত ভ্রূণখণ্ডের সাথে। দেবী সেই ভ্রূণের নামকরন করেছেন মেধা। তাই সকল মেধার সাথে আপনি যুক্ত হন, কারণ আপনি যুক্ত না হলে যে, সেই সমস্ত মেধা অর্থাৎ সমস্ত ভ্রূণ যদি একবার শিশু হয়ে গেলে, সহস্র সহস্র দেবীতে পরিণত হয়ে যাবেন। তাই আপনি যুক্ত হন এঁদের সাথে, আর এঁদের মেধা থেকে চেতনা হয়ে ওঠাকে আটকান, ভ্রূণ থেকে শিশু হয়ে ওঠাকে আটকান, মৃত থেকে জীবিত হয়ে ওঠাকে আটকান”।

পরমাত্ম এই কথাতে প্রভাবিত তো হলেন, কিন্তু সন্দিহান থেকে গেলেন, আর বললেন, “কিন্তু আমি কি করে আটকাবো? দেবীর ন্যায় দেবীর সন্তানরাও যে অমর!”

দেবী কল্পনা এবার বললেন, “আপনি হত্যা করার চিন্তা করছেন কেন সেই সমস্ত মেধাকে? আপনি এঁদের সাথে আত্মভাব নিয়ে যুক্ত হন, আর আমরাও আপনার সাথে এঁদের মধ্যে যুক্ত হবো। এর ফলে, এঁদের সমস্ত বিস্তারকে আমরা আটকে দেব, আর ফলস্বরূপ, এঁরা দেহদেহান্তরে যেতে থাকবে, কিন্তু চেতনা হয়ে উঠতে পারবেনা। অর্থাৎ, এঁরা সন্তান তো দেবীরই হবেন, কিন্তু এঁদের উপর নিয়ন্ত্রণ আপনার থাকবে, সঙ্গে আমাদেরও”।

পৃষ্ঠা: 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13